
২০০৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্র ‘ক্রসফায়ার’ নাটকের নামে নির্মম ভাবে হত্যা করে মহান মাওবাদী নেতা পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এম.এল)-এর সম্পাদক কমরেড মোফাখখার চৌধুরীকে। তাঁর ২১তম শহীদ দিবস আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার, প্রতিবাদী আলোচনা ও গণসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করছে গণমুক্তির গানের দল জাতীয় জাদুঘর গেটের সামনে।
গোপন দল পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি থেকে অবসর নিয়ে মগবাজারের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন বয়ো:বৃদ্ধ মোফাখখার চৌধুরী। RAB এর দল তার বাসায় গিয়ে বিভ্রান্ত হয়। মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত শুধু বই আর বই। তিনি তাদের বসিয়ে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন গল্প শুরু করে দেন।কিন্তু নির্দেশ আসে মেরে ফেলতে হবে। সে রাতে কুস্টিয়ায় নিয়ে মেরে ফেলা হয় মোফাখখার চৌধুরীকে। মিডিয়ায় প্রচার করা হয় ক্রসফায়ারের গল্প।
সাম্রাজ্যবাদ-সম্পসারণবাদের পদলেহী সামন্ত আমলা-মুৎসুদ্দী পুঁজিবাদের স্বার্থবাহী এই দমনমূলক রাষ্ট্রকাঠামো চূর্ণ করে নয়াগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চলমান সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে গণমুক্তির গানের দলের এই সোচ্চার উদ্যোগে সামিল হওয়ার জন্য আহবান জানান হাসান ফকরী, সহ-সভাপতি গণমুক্তির গানের দল।
তিনি ছিলেন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) একটি অংশের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা। বুদ্ধিজীবি হত্যা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই।শুধু একটা প্রশ্নই মনে জাগে কতটা পাশবিকতা মানুষকে এরকম একটি সিদ্ধান্ত নিতে প্রণোদিত করতে পারে?! পাশবিকতা শব্দটাও বোধ হয় একদমই যথার্থ নয় কারণ পশু কখনও এরকম আচরণ করে না।বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করা আর তাদের দোসরদের উদ্দেশ্য ছিল যে চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সূচণা সেই চেতনার ধারকদের বিনাশ করা।



